মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

সাঁকোয়া বাকশৈল কামিল মাদ্রাসা

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

সাঁকোয়া বাকশৈল কামিল মাদ্রাসার ইতিহাসঃ- প্রাচীন বাংলার পূর্নাঙ্গ ইতিহাস আজও লিখিত হয়নি এর পরও অন্যান্য ইতিহাস  স্বল্প কিছু লিপিবদ্ধ হলেও এদেশের  মাদ্রাসার ইতিহাস  একেবারেই পিছিয়ে  আছে।  বহু মূল্যবান তথ্য  ও উপাদান কাল গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে।ফলে প্রচীন যুগের ইসলামী সমাজ, সভ্যতা ও সাংস্কৃতির ঘনিষ্ঠ পরিচয় মেলে না।  বাংগালির ঐহিহাসিক স্মৃতির   অভাব সম্পর্কে শতাধিক বছর পূর্বের লেখক বক্মিমচন্দ্র যা বলে গেছেন তার প্রাসঙ্গিকতা আজও লুপ্ত হয় নাই, ‘‘ সাহেবরা যদি পাখি মারিতে যান তারও ইতিহাস লিখিত হয় কিন্তু বাংলার ইতিহাস নাই।  যে দেশ হযরত শাহাজালাল, শাহ মূখদুম, খান জাহান আলীর দেশ  সে দেশে মুসলিম সভ্যতার কোন ইতিহাস নাই।

          ঐতিহাসিক তথ্যের সল্পতা সত্বেও আমাদের জানতে অসুবিধা হয় না যে, সুদুর অতীতেও শিÿা দিÿার প্রতি বাংগালীদের অনুরাগ ছিল অকৃত্তিম। প্রচীন কালের যে লিপিগুলি উদ্ধার করা হয়েছে  তা থেকে স্পষ্ট প্রতিয়মান হয়েছে যে, পাল বংশ প্রতিষ্ঠার সহস্রাধিক বছর পূর্ব হতে মৌর্য আমলে বাংলাদেশের ব্রাÿণ্য বিদ্যা ও সাংস্কৃতিক সাহিত্যেও চর্চা আরম্ভ হয়েছিল। গোড়ারদিকে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে এবং পরবর্তীকালে দÿÿনাংশে সংস্কৃতিক ভাষার চর্চা শুরম্ন হয়। তের শতকের গোড়ার দিকে বাংলাদেশে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার ফলে এদেশের রাষ্ট্রীয় ,ধর্মিও ,সামাজিক এবং  সংস্কৃতিক জীবনে এক বৈপস্নবিক পরিবর্তনের ধারা সূচিত হয়।

তের শতকে চেঙ্গিস খাঁর আক্রমনের ফলে মুসলিমজগত দারম্নণ ক্ষতিগ্রসত্ম হয় । বোখারা ,সমরখন্দ, বাগদাদ প্রভৃতি মুসলিম সভ্যতা ও সাংস্কৃতির কেন্দ্র ধংশ হয়। তখন অনেক জ্ঞানী গুনী ব্যক্তি,পন্ডিত,ফকির,কবি, স্থপতি,ভাস্কও,চিত্রকর ইত্যাদী দলে, দলে, নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ভারতে আগমন করেন । এ সকল ব্যক্তিত্যের সমাবেশের ফলে দিলিস্ন শিল্পকলা ও জ্ঞান চর্চার প্রসিদ্ধ কেন্দ্রে পরিনত হয় । তাদের অনেকে বাংলায় চলে আসেন কারণ বাংলার মুসলমান সুলতান জ্ঞানী গুনী ব্যক্তিদের সাদর আমত্রন জানান এবং অর্থ সম্মান দিয়ে দেশের নানা স্থানে প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে দিলিস্নর তুর্কী রাজপরিবারের নানা উত্থান পতনের ফলে অভিজাত সম্প্রদায়ের বহু সংখ্যক ব্যক্তি বিতাড়িত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেন, মোগল সম্যাজ্য প্রতিষ্ঠার পর বহূ সংখ্যক  প্রধান প্রধান অধিনায়ক দিলিস্ন ত্যাগ করে এদেশে চলে আসেন।

 

এই সকল বহিরাগত মুসলমানদের প্রভাবে বাংলাদেশে ইসলাম ও মুসলিম সভ্যতা সুপ্রতিষ্ঠিত হয়। ১৭৫৭সালে নবাবের পতনের ফলে  ইংরেজ শাসন ব্যবস্থা শুরম্ন হয়  নেমে আসে মুসলমানমান সভ্যতার উপর কুঠারাঘাত,ইংরেজরা  লÿ্য করেন  ১৭৬৫ সালে বাংলায় ৮০,০০০ আশি হাজার মাদ্রাসার জন্য এদেশের চারভাগের এক ভাগ জমি লাখেরাজ হিসাবে বরাদ্দ ছিল । ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী  এই লাখেরাজ সম্পত্তি আইন ,বিধি বিধান প্রনয়ন করে এবং জোর জবরদসিত্ম করে দেশের হিন্দু প্রজা ও জমিদারদের মাঝে ইজারা দিতে থাকে ফলে মাদ্রাসার আয় কমতে থাকে বহু মাদ্রাসা বন্ধ হয়ে যায়। মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণরম্নপে পরিকল্পিতরম্নপে ধংশ করে দেওয়া হয়, গুটি কয়েক  মাদ্রাসা টিকে থাকে। ১৭৬৫ সালে  বাংলায় মাদ্রাসার  সংখ্যা ছিল আশি হাজার ইংরেজদের ২০০ বছর পর ১৯৬৫ সালে এর সংখ্যা  ২০০০ দুই হাজারের নিচে নেমে আসে। সম্রাট শাহাজাহানের শাসনামলের পুর্বে (১৫১৫-১৫৩১) রাজশাহীর বাঘায় একটি বড় মাপের মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল , এরই ধারাবাহিকতায় বাঘা মাদ্রাসার ছাত্রদের সহায়তায় সাঁকোয়া বাকশৈল ও বরিঠা গ্রামের জনগনের ইচ্ছায় সাকোয়া গ্রমে তদানিমত্মন সময়ে একটি মাদ্রাসা স্থাপিত হয়েছিল পরবর্তীতে ইংরেজদের শাসনামলে মাদ্রাসার অসিত্মসত্ম বিলীন হয়ে যায় কিমত্ম এলাকার জনগনের দাবীর প্রেÿীতে শেষের দিকে লর্ড কার্জন এর  সময় অত্র এলাকার আতানারায়নপুর গ্রামের মৌঃ মোঃ কুতুব উদ্দিন  ও অত্র গ্রামের মৌঃ রিজুকুলস্না সাহেবের মাধ্যমে ১৯০৬ ইং সালে তদানিমত্মন  নিয়মানুযায়ী রিজকুল উলুম নামে এখানে একটি মাদ্রাসা পূনস্থাপিত হয় ।১৯৪৯ সালে মাদ্রাসাটি বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিÿা বোর্ড ঢাকা কর্তৃক স্বীকৃতি লাভ করে।১৯৫৩ সনে দাখিল সত্মরে ছাত্র/ছাত্রী পাবলিক পরীÿায় ১ম বারের মত অংশ গ্রহন করে এর পর ১৯৭০/৭১ এর লেবারেশনের সময় মাদ্রাসা পাকিসত্মান হানাদার বাহিনীর হাতে চলে যায় । মাদ্রাসায় রাজাকারদের ক্যাম্প বানানো হয় এর ফলে মাদ্রাসার জমি জমার কাগজপত্র ও অফিসিয়াল নথিপত্র নষ্ট হয়ে মাদ্রাসার অস্থিত্ব একেবারে বিপন্ন হয়ে পড়ে।  দেশ স্বাধীনের পর  সিন্দুরীর মাওঃ আবু সাইদ সিন্দুরী, সাঁকোয়ার জনাব ছাবের আলী মৃধা, সিংহমারার মোঃ আঃ হামিদ মাষ্টার মাওঃ আঃ জলিল সাহেব সহ আরও অনেকের উদ্যেগের ফলে পুনঃবার দাখিল হিসেবে মাদ্রাসার কার্যক্রম শুরম্ন হয়। ০১/০৭/৮৭ ইং তারিখ হতে আলিম  ০১/০৭/১৯৯৩ ইং তারিখ হতে ফযিল ও ০১/০৭/২০০১ ই্ং তারিখ হতে কামিল শ্রেণী পর্যমত্ম উন্নীত হয় এছাড়া ২০০৫-০৬ শিক্ষা বর্ষ হতে এইস এস সি ( বি এম) ও ০১/০১/২০০৬ ই্ং তারিখ হতে এস,এসসি ভোক শিক্ষাক্রম চালু হয়। অত্র মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার ফলে  এতদাঞ্চলে ইসলামী শিক্ষা বিসত্মার , ইসলামী সমাজ ও পরিবেশ সৃষ্টির ক্ষেত্রে এক যুগামত্মকারী অধ্যায় সূচীত হয়েছে।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
মো: আব্দুল কাদের 0 0

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

মোট ছাত্র/ ছাত্রীর সংখ্যা

১ম শ্রেণী

২য় শ্রেণী

৩য় শ্রেণী

৪র্থ শ্রেণী

৫ম শ্রেণী

মন্তব্য

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

১৯

১২

৩১

২৬

১০

৩৬

২০

১২

৩২

১৪

১৩

২৭

২০

১২

৩২

 

পাশের হার

৯৭%

৯৮%

৯৬%

৯৩%

৯৭%

 

 

 

মোট ছাত্র/ ছাত্রীর সংখ্যা

৬ষ্ঠশ্রেণী

৭ম শ্রেণী

৮ম শ্রেণী

৯ম শ্রেণী

১০ম শ্রেণী

মন্তব্য

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

৪৫

২০

৬৫

৩৪

২৭

৬১

২৭

২০

৪৭

৪২

১৬

৫৮

৩৩

১৮

৫১

 

৯৭

বর্তমানে ১৩ জন সদস্য বিশিষ্ট নিয়মিত গভণিং বডি আছে। যাহা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক অনুমোদিত, অনুমোদনের মেয়াদ  ২৪/১২/২০১১ইং তারিখ হতে ২৩/১২/২০১৪ ইং তারিখ পর্যমত্ম ০৩ তিন বছরের জন্য অনুমোদনের স্মারক নং ফা..কা..মা..শিক্ষা./ইবি-২০১২/৪২১৬ তারিখ  ০৪/০২/২০১২ ইং

বিগত ৫ বছরের সমাপনী

পরীক্ষার নাম

সাল

 

রেজি&&ট্রকৃত শিক্ষার্থীর তথ্য

অংশ গ্রহণকারী শিক্ষার্থীর তথ্য

পাশকৃত শিক্ষার্থীর তথ্য

মন্তব্য

 

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

 

 জেডিসি

২০১০

২৫

১১

৩৬

২৫

১১

৩৬

১৯

১১

৩০

 

২০১১

৩৫

১৭

৫২

৩৫

১৭

৫২

৩৫

১৭

৫২

 

 

 

পাবলিক পরীক্ষা ফলাফল

পরীক্ষার নাম

 

সাল

 

রেজি&&ট্রকৃত শিক্ষার্থীর তথ্য

অংশ গ্রহণকারী শিক্ষার্থীর তথ্য

পাশকৃত শিক্ষার্থীর তথ্য

পাশের হার

মন্তব্য

 

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

 

দাখিল

২০০৯

৩৪

০৯

৪৩

৩২

০৭

৩৯

২৯

০৭

৩৬

৯২%

 

২০১০

৪১

০৭

৪৮

৩৯

০৬

৪৫

৩৭

০৬

৪৩

৯%

 

২০১১

৪২

১৩

৫৫

৪০

০৯

৪৯

৪০

০৯

৪৯

১০০%

 

 

আলিম

২০০৯

২২

০৮

৩০

২০

০৪

২৪

১৯

০৪

২৩

৯৬%

 

২০১০

৩৬

১৬

৫২

৩১

১৫

৪৬

৩০

১৪

৪৪

৯৬%

 

২০১১

২৫

০৭

৩২

২৫

০৭

৩২

২৩

০৬

২৯

৯১%

 

 

ফাযিল

২০০৯

৩৫

০৮

৪৩

২৫

০৫

৩০

২৫

০৫

৩০

১০০%

 

২০১০

৫৫

১৩

৬৮

৩২

১১

৪৩

৩১

১০

৪২

৯৮%

 

 

কামিল

২০০৯

১৬৫

১৩

১৭৮

১৪৭

০৫

১৫২

১৪৭

০৫

১৫২

১০০%

 

মাদ্রাসায় কোন বৃত্তি দেওয়া হয় না।

অত্র মাদ্রাসা প্রতিষ্টার পর হতে অদ্যবধি এলাকায় বহু ব্যক্তিত্ব গড়ে উঠেছে সামাজিক  কুসংস্কার ভেদ করে এথানে নারী পুরম্নষের একই সংগে শিÿা দেওযা হয় এখান হতে প্রতি বছর ২০০ দুই শতাধিক ছাত্র ছাত্রী বিভিন্ন ক্লাশের পাবলিক পরীÿায় পাস করে নানা ধরনের চাকরী বা গুরম্নত্বপূর্ণ কাজে জড়িত হয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন, বর্তমানে অত্র মাদ্রাসায় কর্মরত     অধ্যÿ সহ প্রায় ১৫ জন শিÿক সরাসরি এই মাদ্রাসার ছাত্র ছিলেন। এছাড়া ১৯৯৯ সালে আলিম শ্রেণীতে বিজ্ঞান বিভাগ খোলার পর হতে এই মাদ্রাসার ৪ জন ছাত্র সরকারী মেডিকেলে ৯ জন বেসরকারী মেডিকেলে ৫ জন সরকারী  প্রকৌশল ও ১৩ জন বেসরকারী  প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং শতাধিক ছাত্র/ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করে বিভিন্ন পেশায় নিয়জিত আছেন এবং বর্তমানেও অনেকে অধ্যয়ন রত আছেন।

মাদ্রাসার আয়ের তুলোনায় ব্যয় বেশী হওয়ায় অবকাঠামোগত দিক দুর্বল হয়ে আছে অবকাঠামোগত দিকের উন্নয়নের সাথে সাথে এখানে অর্নাস ক্লাশ চালু করা হবে ,ফাযিল শ্রেনীতে বিজ্ঞান সহ কামিল শ্রেণীতে  আদব ও ফেকাহ গ্রম্নপ খোলা হবে। ছাত্রদেরকে আর্ধনিকি করণের জন্য আবাসিক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সাঁকোযা বাকশৈল কামিল মাদ্রাসা, ডাকঘর : কেশরহাট, উপজেলা : মোহনপুর, জেলা : রাজশাহী